back to top
হোম জাতীয় ডঃ জিয়া হায়দার প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী: বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কে আনন্দের...

ডঃ জিয়া হায়দার প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী: বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কে আনন্দের জোয়ার

ডঃ জিয়া হায়দার

প্রখ্যাত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর সমমানের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

 

ডঃ জিয়া হায়দার -এর এ নিয়োগের খবরে বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কে (বিজিএন) আনন্দের জোয়ার বইছে। বিভিন্ন সংসদীয় আসনে সংগঠনটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ। তিনি দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটন ডিসি কার্যালয়ে সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ফিলিপাইন ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে তাঁর তিন দশকের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের (বিজিএন) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তাঁর বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্বগুণে উজ্জ্বল ছিলেন। আশির দশকে তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষাজীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত কৃতী। ১৯৮৮ সালে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর ফিলিপাইন ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং সুইডেনের উমিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পুষ্টি ও মহামারিবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

ব্যক্তিগত জীবনে চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত; তিন ভাই চিকিৎসক এবং এক ভাই শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে গভীর জ্ঞানের সমন্বয়ে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের এ নতুন দায়িত্ব দেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।