পরিবেশ দূষণ কাকে বলে তার আগে জানতে হবে ।তাহলে আমরা পরিবেশ দূষণের কারণ গুলো খুঁজে বের করতে পারব। পরিবেশ দূষণের প্রভাব রয়েছে অনেক।কোন কারণে পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থায় যদি ব্যাঘাত ঘটে এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে তাহলে তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। পরিবেশ দূষণ সেটা যেকোনোভাবে হতে পারে। এক নজরে বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণ

সেটা কৃত্রিম হতে পারে আবার প্রাকৃতিক উপায় হতে পারে। কোন নির্দিষ্ট কোন মাত্রা নেই। পরিবেশ দূষণের অনেক কারণ গুলো রয়েছে। পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে বলবো আজ আপনাদের জানাব।পরিবেশ দূষিত হলে বায়ু ,পানি মাটি ইত্যাদি দূষিত হবে। এগুলো হচ্ছে পরিবেশের মূল উপাদান। এগুলো যে কোন একটি দূষিত হলে পরিবেশ দূষিত হয়।

এক নজরে বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণ

বায়ু দূষণ

বায়ু সবচেয়ে পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বায়ু ছাড়া আমাদের জীবন অনেকটা অচল। আমাদের জীবন চলে বায়ু মাধমে। আমরা অক্সিজেন নিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাই। যদি আমরা শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারি তাহলে আমরা মারা যাবো। আর বায়ু কোন কারণে দূষিত হলে আমরা বিভিন্ন রোগে ভুগব। কারণ বেশির ভাগ রোগ বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায়। তাছাড়া বায়ু দূষণ হওয়ার কারণে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। বায়ুকে মূল উপাদান হিসেবে ধরা হয় পরিবেশের। বায়ু দূষণ নানা কারণে দূষিত হয়ে থাকে, কারণগুলো হচ্ছে-

  • আবর্জনা পুরানো
  • ইটভাটা ও কলকারখানার কালো ধোঁয়া ইত্যাদি।
  • যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করলে।
  • সিগারেটের ধোঁয়া
  • অযথা কোনো কিছু পুরানো

পানি

পানি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আমাদের জন্য। কারণ আমরা পানি পান না করলে বাঁচবো না। পানি আমাদের খাবারের মূল্য উপাদান। পানি ছাড়া আমাদের জীবন অচল। যেসব কারণে পানি দূষিত হয়:

  • পানিতে ময়লা আবর্জনা ফেললে
  • মল-মূত্র ত্যাগ করলে
  • কলকারখানার নিষ্কাশন গুলো পানিতে ফেললে
  • নৌযানের দূষিত পদার্থ পানিতে ফেললে।
  • পশুপাখির মৃতদেহ ফেললে।

জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে পানি দূষিত হয়। এর ফলে কিছু উপকারী কীটপতঙ্গ মারা যায়। তাছাড়া  মাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

মাটি দূষণ

আমরা যে ভূমিতে বাস করি সেটা হচ্ছে মাটি। আমাদের সবকিছুই হচ্ছে এই মাটি। আর মাটি দূষিত হলে আমাদের অনেক ক্ষতি। এর কারণে আমাদের নানা ধরনের রোগ-জীবাণু হতে পারে।

মাটি দূষণের কারণ হচ্ছে মাটিতে বর্জ্য পদার্থ ফেলা। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করা ইত্যাদি। আমাদের সবসময় খেয়াল রাখতে হবে মাটি যেন কোনভাবে দূষিত না হয়। মাটি দূষিত হলে কোন গাছপালাসহ অন্যকিছু জন্ম নেয় না।

শব্দ দূষণ

শব্দ একটি আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। চারদিক থেকে শব্দ একসাথে আসলে মাথায় প্রচন্ড এত কষ্ট হয়। রক্তচাপ থেকে মাথাব্যথা শুরু হয়। উচ্চ শব্দ দূষণ হতে হার্টের রোগ হয়। তাছাড়া গরমের দিনে শব্দ দূষিত হলে তা আরো কষ্টকর। শব্দ দূষণের কারণগুলো হচ্ছে:

  • অযথা গাড়ির হর্ন বাজানো
  • উচ্চ মাত্রায় মাইক বাজানো
  • অযথা চিৎকার চেঁচামেচি করা
  • বাড়ি মেশিনের উচ্চ মাত্রার শব্দ।

এ শব্দ দূষণ বাচ্চাদের জন্য অনেক ক্ষতিকর। উচ্চ মাত্রায় শব্দ দূষণ থেকে মানুষ বধির হয়েও যেতে পারে। এর ফলে আরও ক্ষতির জন্য বৃদ্ধ মানুষের জন্য আরো।

আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে কোনভাবেই যেন আমাদের পরিবেশ দূষিত না হয়। পরিবেশ দূষিত হলে আমাদের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হবে। কারণ আমরা পরিবেশের উপর নির্ভর করেই বেঁচে থাকি।

পরিবেশের মূল উপাদান গুলো ছাড়া আমাদের বেঁচে থাকা খুব কষ্ট সাধ্য। তাই নিজেদের বাঁচাতে গিয়ে অবশ্যই পরিবেশকে বাঁচাতে হবে। সুন্দর পরিবেশ সুন্দর জীবন দেয়। একটি সুস্থ পরিবেশ থেকে একটা সুস্থ মানুষ বড় হয়ে ওঠে।

যে যেখান থেকে যেভাবে পারি পরিবেশ রক্ষা করার চেষ্টা করব। সামাজিক ভাবে কোনো পরিকল্পনা করে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করব। বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

আমরা আমাদের নিজের চেষ্টায় সে নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে ভূমিকা পালন করব। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। পরবর্তীতে আরো নতুন নতুন আপডেট নিয়ে আলোচনা করব।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে