আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব নিয়মিত রুটি খাওয়ার উপকারিতা কি সেগুলো নিয়ে। আমাদের দেশের প্রধান হচ্ছে খাদ্য ভাত। আমরা প্রতিদিন নিয়মিত ভাত খাই শুধু। প্রতিদিন তিন বেলা ভাত খেয়ে আমাদের অভ্যাস। কোন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বা অন্য কিছুতে এর আয়োজন করা হয়। যার ফলে ভাত হচ্ছে প্রধান খাবার।কিন্তু আমরা অনেকেই সকাল বেলা রুটি খাই। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের রোগীরা মাঝে মাঝে রুটি খায়। তাদের রোগ গুলো কন্ট্রোলে রাখতে।

নিয়মিত রুটি খাওয়ার উপকারিতা

এনার্জি

আপনার যদি কোন সময় জরুরি কাজ থাকে তাহলে আপনি ভাতের তুলনায় এবং অন্যান্য খাবার জন্য রুটি দ্রুত খেতে পারবেন।রুটি খেলে প্রচুর পরিমাণে এনার্জি বাড়ে। যার ফলে আপনি দুই তিনটা রুটি খেলে আপনার এনার্জি ঘাটতি দেখাতে পারবে না।গবেষণায় দেখা গেছে অনেকক্ষণ পর্যন্ত এনার্জি ধরে রাখতে পারে শরীরে। আর দীর্ঘক্ষন ক্ষুধা থেকে বিরত রাখা। ক্ষুধা কম লাগে।এর ফলে কাজে মন বসে বারবার খাবার টেনশন করতে হয় না। কাজে আগ্রহী মনোভাব আসে। আর যদি এক গ্লাস দুধে রুটি খেতে পারেন তাহলে তা কয়েকগুণ উপকারিতা বেড়ে যায়।

হজম শক্তি বৃদ্ধি

রুটি খেলে হজম শক্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আপনার যদি হজম শক্তি কম থাকে তাহলে আপনার ভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।আপনি অস্বস্তিকর মত হতে পারেন। কিন্তু রুটি খেলে আপনার সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। রুটি কাছে প্রচন্ড ফাইবার ।যা হজম শক্তি কে খুব শক্তিশালী করে তোলে। যার ফলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রুটি শুধু ক্ষুধা মেটায় এটা নয়।অনেক রোগমুক্ত থেকে বিরত থাকার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তাছাড়া বিভিন্ন রোগ কন্ট্রোল করতেও এটি সহায়ক।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

আমরা সবাই কম বেশি টেনশনে থাকি। মানুষের টেনশন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কোন কাজ না থাকলে শুধু বসে থাকলে কম বেশি সবার মন মেজাজ খারাপ হয়।মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। কাজে কোন মনোযোগ আসে না। তাছাড়া এই কারণে উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়। আপনার যদি রুটি খান তাহলে শরীরে সোডিয়াম এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আসে।যার ফলে শরীরকে কিছুটা ঠান্ডা করে। ঠান্ডা দুধে রুটি ভিজিয়ে খেলে অনেকটা রক্তচাপ এর উপকারিতা হয়। যার ফলে আরও উন্নত রায়।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

রুটি খেলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। অবাক হচ্ছেন তাই না? সত্যিই তাই। রুটি খেলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।কারণ রুটি শরীরের জিন থেকে টক্সিন গুলো দূর করে। যার ফলে কোষগুলোতে টক্সিনের হার কমে যায়। আর অন্যদিকে কোলাজেনের বাড়তে থাকে। যার ফলে ত্বক দিন দিন সুন্দর উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।তাই আপনি যদি আপনার ত্বক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চান তাহলে অবশ্যই নিয়মিত ও পরিমান মত রুটি খান।

ওজন কমানো

রুটি খেলে শরীরের ওজন অনেকাংশে কমে যায় এটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কারণ অল্প খেলে দীর্ঘক্ষন খাবারের কাজ মেটায়।যার ফলে বারবার খেতে হয় না। পেট দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। আবার রুটিতে কোন ফ্যাট নেই। যার ফলে চর্বি হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই থাকে না।এজন্য অনেক মডেলরা নিজেদের ওজন ধরে রাখতে ও ত্বক ভালো রাখতে নিয়মিত রুটি খায়।

ডায়াবেটিস কন্ট্রোল

আমরা প্রায়ই দেখি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা নিয়ম মত রুটি খায়। কারণ নিয়মিত রোগী রুটি খেলে ব্লাড সুগার কমতে থাকে।যার ফলে ডায়াবেটিস কন্ট্রোল থাকে। এজন্য তাদেরকে তো রুটি খেতে দেখা যায় প্রতিদিন নিয়মিত।আর রুটি খেলে হার্ট অ্যাটাকের সময় কম থাকে কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ হতে রক্ষা করে।তাই সুস্থ সবল থাকতে আমার জন্য নিয়মিত প্রতিদিন রুটি খাই। আমরা আগামী পর্বে আলোচনা করব কিভাবে বানানো হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে